বাংলাদেশের ই-কমার্স মার্কেট গত কয়েক বছরে আমূল বদলে গেছে। আগে মানুষ অনলাইনে কেবল শৌখিন জিনিস কিনত, কিন্তু এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারও অনলাইনে হচ্ছে। ২০২৪ সালে এই সেক্টরে টিকে থাকতে হলে আপনাকে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।
১. পার্সোনালাইজড শপিং এক্সপেরিয়েন্স
কাস্টমার এখন কেবল প্রোডাক্ট চায় না, তারা চায় একটি সুন্দর অভিজ্ঞতা। আপনার সাইট যদি কাস্টমারের পছন্দ অনুযায়ী প্রোডাক্ট সাজেশন দেখাতে পারে, তবে বিক্রির সম্ভাবনা বাড়ে ৪০% পর্যন্ত।
২. হাই-স্পিড মোবাইল কমার্স
বাংলাদেশে ৮০% অনলাইন অর্ডার আসে মোবাইল থেকে। আপনার ওয়েবসাইট বা অ্যাপ যদি ২ সেকেন্ডের বেশি সময় নেয় লোড হতে, তবে আপনি অর্ধেক কাস্টমার হারাবেন। অপ্টিমাইজড ইমেজ এবং লেটেস্ট টেকনোলজি এখানে অত্যন্ত জরুরি।
৩. সোশ্যাল কমার্সের জয়জয়কার
ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে কেবল ছবি দিলে হবে না। লাইভ শপিং এবং চ্যাটবট ব্যবহারের মাধ্যমে সরাসরি অর্ডার নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। মানুষ এখন সোশ্যাল মিডিয়াতেই শপিং প্রসেস শেষ করতে পছন্দ করে।
“২০২৪ সাল হলো সেই বছরের শুরু, যেখানে কেবল প্রোডাক্ট নয়, বরং কাস্টমার সার্ভিসই হবে জেতার মূল চাবিকাঠি।“
৪. ভিডিও কন্টেন্ট মার্কেটিং
স্থির ছবির চেয়ে ভিডিও এখন ১০ গুণ বেশি এনগেজমেন্ট পায়। ছোট ছোট রিলস বা শর্ট ভিডিওর মাধ্যমে প্রোডাক্টের কার্যকারিতা তুলে ধরুন। এটি কাস্টমারের মনে দ্রুত বিশ্বাস তৈরি করে।
৫. দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ডেলিভারি
ডেলিভারি কোম্পানিগুলোর সাথে ইন্টিগ্রেশন এমনভাবে করুন যেন কাস্টমার রিয়েল-টাইমে তার প্রোডাক্টের অবস্থান জানতে পারে। ‘সেম ডে ডেলিভারি’ এখন প্রিমিয়াম সার্ভিস হিসেবে গণ্য হচ্ছে।